এই চুপচাপ অনন্তকাল কাটাতে কাটাতে
আমাদের কখনো কথা বলা হবে না।
তারপর তুমি, আমি, আমাদের নীরবতা
আমাদের বিগত ভালোবাসার মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে
বিলুপ্তির আগে, আমাদের নীরবতাকে ছুটি দিয়ে দিই
পাহাড়, পর্বত, সমুদ্রের কিনার থেকে একদল ঘুরে আসুক,
নীরবতারা অখন্ড অবসরে চা-কফি খাক, আড্ডা দিক।
এই চুপচাপ সময়ে, আমরা চলো
নিরিবিলি ফোটাই এক নৈঃশব্দের বারুদ।
Tuesday, March 10, 2020
আমি ততদিনও অপেক্ষায় ছিলাম
আমি ততদিনও অপেক্ষায় ছিলাম, যতদিন অপেক্ষা করার আর কোনো কারণ থাকে না।
অপেক্ষারাও বড় অদ্ভুত ছেলেমানুষ। হুটহাট চলে যায় আবার ফিরেও আসে। তুচ্ছ থেকে তুচ্ছতর কারণে তাদের এইসব উদ্ভট যাতায়াত। ভদ্রতাসূচক একটা হাসিতেও ফিরে আসে অপেক্ষা। নিতান্তই স্বাভাবিক অমনোযোগে চলেও যায়। সে কি শুধুই চলে যাওয়া? কিশোর ছেলেরা যেমন রাগ করে 'আর কখনো ফিরে আসবো না' বলে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায়, সেভাবে সবকিছু ছেড়েছুড়ে বিদায় বলে যাওয়া।
অপেক্ষারা তবু ফিরে আসে। অপেক্ষারা ফিরে আসার ছুতো খোঁজে, পেয়েও যায়।
অপেক্ষার এই নিরন্তর যাতায়াত থেমে গেলে অপেক্ষারও একদিন মৃত্যু হয়। নক্ষত্রের মৃত্যু হলে বিস্ফোরণ ঘটে, অপেক্ষার মৃত্যু হয় চুপচাপ। অপেক্ষারা চুপচাপ চলে যায়। অথচ কী আশ্চর্য, অপেক্ষার মৃত্যু হলে টের পাওয়া যায়, কিছুই আর আগের মতো নেই। না আকাশ, না পৃথিবী, এমনকি নিঃশ্বাসটাও যেন আপাদমস্তক বদলে গেছে।
আমার অপেক্ষারা ততদিনও বেঁচে ছিল, যতদিন অপেক্ষাদের বাঁচার কোনো নিয়ম নেই। আলো নেই, বাতাস নেই, নিরন্তর আসা-যাওয়া নেই, তবু তারা নিতান্তই অসাড় হয়ে জড়বস্তুর মতো বেঁচে ছিল।
আমার অপেক্ষারা মরে যাওয়ার পরও, বেঁচে ওঠার অপেক্ষায় থাকবে অনেকদিন, অনেকগুলো দিন।
অপেক্ষারাও বড় অদ্ভুত ছেলেমানুষ। হুটহাট চলে যায় আবার ফিরেও আসে। তুচ্ছ থেকে তুচ্ছতর কারণে তাদের এইসব উদ্ভট যাতায়াত। ভদ্রতাসূচক একটা হাসিতেও ফিরে আসে অপেক্ষা। নিতান্তই স্বাভাবিক অমনোযোগে চলেও যায়। সে কি শুধুই চলে যাওয়া? কিশোর ছেলেরা যেমন রাগ করে 'আর কখনো ফিরে আসবো না' বলে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায়, সেভাবে সবকিছু ছেড়েছুড়ে বিদায় বলে যাওয়া।
অপেক্ষারা তবু ফিরে আসে। অপেক্ষারা ফিরে আসার ছুতো খোঁজে, পেয়েও যায়।
অপেক্ষার এই নিরন্তর যাতায়াত থেমে গেলে অপেক্ষারও একদিন মৃত্যু হয়। নক্ষত্রের মৃত্যু হলে বিস্ফোরণ ঘটে, অপেক্ষার মৃত্যু হয় চুপচাপ। অপেক্ষারা চুপচাপ চলে যায়। অথচ কী আশ্চর্য, অপেক্ষার মৃত্যু হলে টের পাওয়া যায়, কিছুই আর আগের মতো নেই। না আকাশ, না পৃথিবী, এমনকি নিঃশ্বাসটাও যেন আপাদমস্তক বদলে গেছে।
আমার অপেক্ষারা ততদিনও বেঁচে ছিল, যতদিন অপেক্ষাদের বাঁচার কোনো নিয়ম নেই। আলো নেই, বাতাস নেই, নিরন্তর আসা-যাওয়া নেই, তবু তারা নিতান্তই অসাড় হয়ে জড়বস্তুর মতো বেঁচে ছিল।
আমার অপেক্ষারা মরে যাওয়ার পরও, বেঁচে ওঠার অপেক্ষায় থাকবে অনেকদিন, অনেকগুলো দিন।
আমি কি তোমার কাছে এমনই??
রাতের আকাশে তারা না থাকাটা যেমন বেমানান,তদ্রুপ আমার হয়ে তুমি না থাকাটাও সাক্ষাৎ বেমানান।
তবে তোমার হয়ে আমি থাকা কিংবা না থাকাটা তোমার উৎকন্ঠার খোরাক কি?
প্রতিরাতের ভাবনাতে আমাকে নিয়ে তুমি কিঞ্চিৎ পরিমাণও ভাবো কি?
জানতে ইচ্ছে হয়। জানার ইচ্ছায় আমি তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ি,অস্থিরচিত্ত হয়ে পড়ি।
আমার হয়ে তুমি না থাকাটা,তোমার কেবল এক মুহূর্তের অনুপস্থিতি এসব আমার হৃদয়ে প্রতি ন্যানো সেকেন্ডেই বজ্রকন্ঠের আওয়াজে কম্পিত হয়। শংকার এসেম্বলি সৃষ্টি করে।
তবে,
তবে তোমার কাছে হয়তো আমি কেবল কিছু আঁধারের কালো জমাট বাধা মেঘ যা দেখে বজ্রপাতের আশংকা হয় না। বৃষ্টি পড়ার অনুভূতি জাগে না।
আমি কি তোমার কাছে এমনই??
তবে তোমার হয়ে আমি থাকা কিংবা না থাকাটা তোমার উৎকন্ঠার খোরাক কি?
প্রতিরাতের ভাবনাতে আমাকে নিয়ে তুমি কিঞ্চিৎ পরিমাণও ভাবো কি?
জানতে ইচ্ছে হয়। জানার ইচ্ছায় আমি তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ি,অস্থিরচিত্ত হয়ে পড়ি।
আমার হয়ে তুমি না থাকাটা,তোমার কেবল এক মুহূর্তের অনুপস্থিতি এসব আমার হৃদয়ে প্রতি ন্যানো সেকেন্ডেই বজ্রকন্ঠের আওয়াজে কম্পিত হয়। শংকার এসেম্বলি সৃষ্টি করে।
তবে,
তবে তোমার কাছে হয়তো আমি কেবল কিছু আঁধারের কালো জমাট বাধা মেঘ যা দেখে বজ্রপাতের আশংকা হয় না। বৃষ্টি পড়ার অনুভূতি জাগে না।
আমি কি তোমার কাছে এমনই??
একবার তোমাকে ভালোবাসতে দাও
একবার তোমাকে ভালোবাসতে দাও,
একবার তোমাকে জড়িয়ে ধরে কাদতে দাও,
একবার তোমার হাতে হাত রেখে চিৎকার করে বলতে দাও, ভালোবাসি।
এরপর নাহয় মরণ বিষে জ্বালিয়ে দিও,
তোমার কোলে মাথা রেখে মরতে দিও।
একবার তোমাকে জড়িয়ে ধরে কাদতে দাও,
একবার তোমার হাতে হাত রেখে চিৎকার করে বলতে দাও, ভালোবাসি।
এরপর নাহয় মরণ বিষে জ্বালিয়ে দিও,
তোমার কোলে মাথা রেখে মরতে দিও।
দীর্ঘায়ু অভিশাপ
অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে অপ্রাপ্তির দীর্ঘশ্বাসের আড়ালে যদি জীবনটা পার করে দিতে হয়,
যদি এভাবে বেঁচে থাকার নাম জীবন হয় তবে দীর্ঘায়ু অভিশাপ।
আর অপেক্ষার প্রহর নিছক মূল্যহীন।
যদি এভাবে বেঁচে থাকার নাম জীবন হয় তবে দীর্ঘায়ু অভিশাপ।
আর অপেক্ষার প্রহর নিছক মূল্যহীন।
কতদিন কাঁদলে বুক থেকে তুমি নামক পাথরটাকে সরানো যাবে?
আচ্ছা বলোতো,
কতদিন কাঁদলে বুক থেকে তুমি নামক পাথরটাকে সরানো যাবে?
কতদিন কাঁদলে বুক থেকে তুমি নামক পাথরটাকে সরানো যাবে?
Monday, February 17, 2020
যদি ছুটে যাই,একদিন!
ধরো, একদিন সব কিছুকে উপেক্ষা করে,
সকল বাধা বিপত্তিকে পেছনে ফেলে
পাহাড়সম অভিমান আর শক্ত ব্যক্তিত্ত্বের বিসর্জন দিয়ে যদি ছুটে যাই তোমার কাছে!
তুমি কি ফিরিয়ে দেবে?
একবার খুব যখন মনে পড়বে,
সারা রাত ধরে ছোট্ট ল্যাম্পের মৃদু আলোতে লিখা চিঠিটা যদি, এক মুঠো সাহস জড়ো করে কাপা কাপা হাতে পোস্ট করেই দেই!
তাহলে চিঠির শিরোনাম পড়েই কি ছিড়ে ফেলে দিবে?
খুব বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে,
মন কেমন করা অনুভূতির বিষ্ফোরণ যদি তোমাকে খুব করে মনে করিয়ে দেয়।
আর আমি যদি তোমার ফোন নাম্বার চেপে শেষমেশ কলটা দিয়েই দেই!
তুমি কি ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠা আমার নাম্বার দেখে কলটা কেটেই ব্লক করে দিবে?
মধ্যরাত, চাদর মুড়িয়ে হেটে চলেছি পিচঢালা পথে।চারদিকের নিরবতাকে যেন ঝিঝি পোকার দল ভেঙে দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আমার ছায়া বহুদূর পর্যন্ত নৃত্য করছে।
এর মাঝেই যদি তোমাকে ভেবে একটা সিগারেট ধরিয়ে নেই! তুমি কি বুঝতে পারবে?
অথবা বাসায় ফিরে যদি তোমার আমার ছোট্ট ছবির ফ্রেমটা নিয়ে ঘরের কোনে বসে অঝোরে কাদতে থাকি তুমি কি অনুভব করতে পারবে?
ধরো অনেক দিন পর,
হঠাৎ চলার পথে দেখা হয়ে গেলো! এক টুকরো শুকনো হাসি মুখে নিয়ে যদি জিজ্ঞেস করি কেমন আছো! খুব কি বিরক্ত হবে?
ঠোট উল্টানো ভৎসনাই কি দেখতে পাবো তোমার মায়াবী ঐ দুই চোখে?
ধরো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে যদি জড়িয়েই ধরি, তুমি কি খুব জোরে চড় মেরে খুব তিরষ্কার করবে?
সকল বাধা বিপত্তিকে পেছনে ফেলে
পাহাড়সম অভিমান আর শক্ত ব্যক্তিত্ত্বের বিসর্জন দিয়ে যদি ছুটে যাই তোমার কাছে!
তুমি কি ফিরিয়ে দেবে?
একবার খুব যখন মনে পড়বে,
সারা রাত ধরে ছোট্ট ল্যাম্পের মৃদু আলোতে লিখা চিঠিটা যদি, এক মুঠো সাহস জড়ো করে কাপা কাপা হাতে পোস্ট করেই দেই!
তাহলে চিঠির শিরোনাম পড়েই কি ছিড়ে ফেলে দিবে?
খুব বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে,
মন কেমন করা অনুভূতির বিষ্ফোরণ যদি তোমাকে খুব করে মনে করিয়ে দেয়।
আর আমি যদি তোমার ফোন নাম্বার চেপে শেষমেশ কলটা দিয়েই দেই!
তুমি কি ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠা আমার নাম্বার দেখে কলটা কেটেই ব্লক করে দিবে?
মধ্যরাত, চাদর মুড়িয়ে হেটে চলেছি পিচঢালা পথে।চারদিকের নিরবতাকে যেন ঝিঝি পোকার দল ভেঙে দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আমার ছায়া বহুদূর পর্যন্ত নৃত্য করছে।
এর মাঝেই যদি তোমাকে ভেবে একটা সিগারেট ধরিয়ে নেই! তুমি কি বুঝতে পারবে?
অথবা বাসায় ফিরে যদি তোমার আমার ছোট্ট ছবির ফ্রেমটা নিয়ে ঘরের কোনে বসে অঝোরে কাদতে থাকি তুমি কি অনুভব করতে পারবে?
ধরো অনেক দিন পর,
হঠাৎ চলার পথে দেখা হয়ে গেলো! এক টুকরো শুকনো হাসি মুখে নিয়ে যদি জিজ্ঞেস করি কেমন আছো! খুব কি বিরক্ত হবে?
ঠোট উল্টানো ভৎসনাই কি দেখতে পাবো তোমার মায়াবী ঐ দুই চোখে?
ধরো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে যদি জড়িয়েই ধরি, তুমি কি খুব জোরে চড় মেরে খুব তিরষ্কার করবে?
Sunday, February 9, 2020
বোবা চোখের গহন নিঃসঙ্গতায় শ্রাবণধারা বিসর্জনের হিসেব আর কত রাখবে!
এবার নাহয় চোখ মেলে তাকাও,
দেখো আকাশের বিশালতা।
মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়াও-
সাধ নাও স্বাধীন অস্তিত্বের।
ক্রমে ক্রমে বিকশিত স্বপ্নের পথ রোধ করে কি বা হবে ক্ষনিকের স্বার্থে-
তারচেয়ে বরং স্বপ্নকে বিচরন করতে দাও তার স্বপ্নের সিড়ি-ঘরে, মাঠ-প্রান্তরে-
আলিঙ্গন করতে দাও আত্নার সর্বোচ্চ প্রাপ্তিকে।
ফিকে সুখের তাজমহলে কি ই বা হবে,
আত্নিক প্রশান্তি যদি না মিলে।
এবার নাহয় চোখ মেলে তাকাও,
দেখো আকাশের বিশালতা।
মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়াও-
সাধ নাও স্বাধীন অস্তিত্বের।
ক্রমে ক্রমে বিকশিত স্বপ্নের পথ রোধ করে কি বা হবে ক্ষনিকের স্বার্থে-
তারচেয়ে বরং স্বপ্নকে বিচরন করতে দাও তার স্বপ্নের সিড়ি-ঘরে, মাঠ-প্রান্তরে-
আলিঙ্গন করতে দাও আত্নার সর্বোচ্চ প্রাপ্তিকে।
ফিকে সুখের তাজমহলে কি ই বা হবে,
আত্নিক প্রশান্তি যদি না মিলে।
তুমি স্বার্থপর
বারবার স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রনায় হাসফাস করতে করতে আমি হয়ত একদিন তলিয়ে যাব অতল গভীরে।
সেদিন তুমি ঠিক মুক্তি পেয়ে যাবে। আমি হয়ত আর তোমাকে বিরক্ত করব না, বিরক্ত করব কি! ভাববোই না তোমার কথা। মস্তিষ্ক শীতল হবে, নিউরন গুলোর অর্থহীন ছুটোছুটিও বন্ধ হবে। সেদিন অনেক বেশি স্বার্থপর হয়ে যাবো হয়ত, ঠিক তোমার মত।
সেদিন তুমি ঠিক মুক্তি পেয়ে যাবে। আমি হয়ত আর তোমাকে বিরক্ত করব না, বিরক্ত করব কি! ভাববোই না তোমার কথা। মস্তিষ্ক শীতল হবে, নিউরন গুলোর অর্থহীন ছুটোছুটিও বন্ধ হবে। সেদিন অনেক বেশি স্বার্থপর হয়ে যাবো হয়ত, ঠিক তোমার মত।
Subscribe to:
Posts (Atom)
সে এক বিরাট সমুদ্র
সে এক বিরাট সমুদ্র। আমার অত সামর্থ কই তারে আগলে রাখি। শুধু তার বুকে একদিন বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে বিসর্জন দেয়ার স্বপ্নই দেখতে পারি।
-
কোন এক বৃষ্টি ভেজা রাত রাত ১২ টা ছুঁই ছুঁই। বিদ্যুৎ নেই, লোডশেডিং হয়েছে কিছুক্ষন আগেই। সারা রোম ঘুট ঘুটে অন্ধকার।। বাহিরে ঝুম ঝুম শব্দের অন...
-
সে এক বিরাট সমুদ্র। আমার অত সামর্থ কই তারে আগলে রাখি। শুধু তার বুকে একদিন বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে বিসর্জন দেয়ার স্বপ্নই দেখতে পারি।